ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে ডায়মন্ড স্তর পর্যন্ত — প্রতিটি স্তরে পাচ্ছেন বড় বোনাস, দ্রুত পেমেন্ট ও ব্যক্তিগত সেবা।
যত বেশি বেটিং, তত উঁচু স্তর — প্রতিটি স্তরে বাড়তি পুরস্কার
সাধারণ সদস্যদের চেয়ে বেশি সুবিধা, বেশি পুরস্কার
| সুবিধা | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|---|
| মাসিক বোনাস | ৫% | ৮% | ১২% | ১৬% | ২০% |
| ক্যাশব্যাক | ৫% | ৮% | ১২% | ১৬% | ২০% |
| উইথড্র সময় | স্বাভাবিক | ৩ ঘণ্টা | ১ ঘণ্টা | ইনস্ট্যান্ট | ইনস্ট্যান্ট |
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | |||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | |||||
| জন্মদিন বোনাস | ৳৫০০ | ৳১,০০০ | ৳২,০০০ | ৳৫,০০০ | ৳১০,০০০ |
| উইথড্র সীমা/মাস | ৳৫ লাখ | ৳১০ লাখ | ৳২০ লাখ | ৳৫০ লাখ | সীমাহীন |
| উপহার ও পুরস্কার |
স্তরের উন্নতি প্রতি ক্যালেন্ডার মাসের শুরুতে পূর্ববর্তী মাসের মোট বেটিং অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হয়। বিস্তারিত নিয়ম ও শর্তাবলীতে দেখুন।
স্তর কখনো হঠাৎ নামে না — টানা তিন মাস নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে তবেই পুনর্মূল্যায়ন হয়।
অনেক বেটিং সাইট আছে যেখানে ভিআইপি প্রোগ্রামের কথা বলা হয়, কিন্তু সদস্য হওয়ার পর দেখা যায় সেটা শুধু কাগজে-কলমের সুবিধা। btd99-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম এর ব্যতিক্রম। এখানে প্রতিটি স্তরের সুবিধা বাস্তবে অনুভব করা যায় — বোনাস সত্যিই ওয়ালেটে আসে, উইথড্র সত্যিই দ্রুত হয় এবং ম্যানেজার সত্যিই সাড়া দেন।
ভিআইপি প্রোগ্রামের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো মাসিক বোনাস। যারা নিয়মিত btd99-এ বেটিং করেন, তারা প্রতি মাসে কিছু না কিছু বাড়তি পান। ব্রোঞ্জ স্তরে মাত্র ৳১০,০০০ মাসিক বেটিং করলেই শুরু হয়ে যায়। মানে যারা মাঝারি মাত্রায় বেটিং করেন তারাও এই সুবিধার আওতায় পড়েন — এটা শুধু হেভি বেটারদের জন্য নয়।
সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক আলাদাভাবে উল্লেখযোগ্য। ধরুন কোনো সপ্তাহ ভালো যায়নি, বেশ কিছু বাজিতে হেরেছেন — তখন সেই হারের একটা অংশ ফেরত পাওয়া মানসিকভাবেও স্বস্তির। ডায়মন্ড স্তরে এই ক্যাশব্যাক ২০% পর্যন্ত পৌঁছায়, যেটা অনেক বড় প্ল্যাটফর্মও দেয় না।
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের ব্যাপারটা অনেকে গুরুত্ ব দেন না, কিন্তু এটা আসলে অনেক কাজের। পেমেন্টে কোনো সমস্যা হলে, অ্যাকাউন্টে কিছু বুঝতে না পারলে বা বোনাস নিয়ে প্রশ্ন থাকলে — সাধারণ লাইভ চ্যাটে অপেক্ষা না করে সরাসরি একজন নির্দিষ্ট মানুষের সাথে কথা বলতে পারা সত্যিই পার্থক্য তৈরি করে। গোল্ড স্তর থেকেই এই সুবিধা পাওয়া যায়, এবং ডায়মন্ড স্তরে সিনিয়র ম্যানেজার পাওয়া যান যিনি আরও বেশি কর্তৃত্ব রাখেন।
বেটিং লিমিটের বিষয়টাও ভিআইপি সদস্যদের জন্য আলাদা। সাধারণ সদস্যরা প্রতি ম্যাচে নির্দিষ্ট সীমার বেশি বাজি রাখতে পারেন না, কিন্তু ভিআইপিরা অনেক বেশি পরিমাণ বেট করতে পারেন। এটা বিশেষ করে আইপিএল বা বিশ্বকাপের সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে যখন বড় ম্যাচে বড় বাজি ধরার সুযোগ থাকে।
আরেকটা বিষয় যেটা সম্পর্কে কম আলোচনা হয়, সেটা হলো এক্সক্লুসিভ অডস। btd99-এর প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা কিছু নির্বাচিত ম্যাচে বিশেষ বুস্টেড অডস পান — মানে একই বাজিতে জিতলে বেশি টাকা পান। এটা সরাসরি উপার্জনে প্রভাব ফেলে।
উইথড্রের গতিটাও ভিআইপিদের জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সাধারণত বাংলাদেশের অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে পেমেন্ট পেতে কয়েক ঘণ্টা বা আরও বেশি সময় লাগতে পারে। কিন্তু btd99-এ ডায়মন্ড সদস্যরা ইনস্ট্যান্ট পেআউট পান — রাত ২টায় জিতলেও তখনই বিকাশ বা নগদে চলে আসে।
ভিআইপি সদস্যদের অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তায় btd99 বাড়তি সুরক্ষা দেয় — দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ ও অ্যাকাউন্ট মনিটরিং সেবা সকল ভিআইপি স্তরে বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
জন্মদিনের বোনাসটা ছোট মনে হলেও আসলে এটা একটা ভালো ইঙ্গিত দেয় যে প্ল্যাটফর্মটা তার সদস্যদের মানুষ হিসেবে দেখে, শুধু গ্রাহক হিসেবে নয়। ব্রোঞ্জে ৳৫০০ থেকে শুরু হয়ে ডায়মন্ডে ৳১০,০০০ পর্যন্ত যায় এই বোনাস — কোনো শর্ত ছাড়াই।
সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে, btd99-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম তাদের জন্য সত্যিকারের মূল্য তৈরি করে যারা নিয়মিত বেটিং করেন। এটা শুধু ধনী খেলোয়াড়দের জন্য নয় — যে কেউ মাসে ৳১০,০০০ বেটিং করলেই ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করতে পারেন এবং ধীরে ধীরে উপরে উঠতে পারেন।
বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নের উত্তর এখানে।
আরও জানতে FAQ পেজ দেখুন অথবা সাহায্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।